রাজকুমার দাস চুরাইবাড়ি ১২ জানুয়ারী : মুখ্যমন্ত্রীর নেশামুক্ত ত্রিপুরা গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে পুলিশ ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে চলছে। এইর অঙ্গ হিসেবে রবিবার গভীর রাতে কদমতলা থানাধীন ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় যৌথ অভিযানে নামে পুলিশ ও বিএসএফ জওয়ানরা। আর এতে সাফল্যও পায় তারা হাতেনাতে। ঘটনাটি রবিবার রাত আনুমানিক বারোটা নাগাদ। কদমতলা থানা এলাকার ইয়াকুব নগর বিওপি সংলগ্ন ইচাই পার গ্রামের তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে সন্দেহজনকভাবে অপর এক ব্যক্তিকে নেশা জাতীয় সামগ্রী নিয়ে প্রবেশ করতে দেখে ৯৭ নম্বর ব্যাটালিয়নের বিএসএফ জওয়ানরা। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে কদমতলা থানার পুলিশকে জানানো হয়। খবর পেয়ে কদমতলা থানার পুলিশ ও বিএসএফের যৌথ দল দ্রুত অভিযান চালায় তাজ উদ্দিনের বাড়িতে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির মালিক তাজউদ্দিন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও নেশা সামগ্রী নিয়ে আসা নাজিম উদ্দিন নামক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশ ও বিএসএফ। পরবর্তীতে তাজ উদ্দিনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দশটি প্যাকেটে মোট ১,৯২৯টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া নেশা সামগ্রীর আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় কুঁড়ি লক্ষ টাকা বলে জানা যায়। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে চারটি মোবাইল ফোন, ভারতীয় মুদ্রায় ৭৭,৯১০ টাকা এবং বাংলাদেশি মুদ্রায় ১,৫৭৭ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তি নাজিম উদ্দিন, পিতা—শোখাই মিয়া। তার বাড়ি ধর্মনগর থানাধীন ভাগ্যপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫নং ওয়ার্ডে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ ধৃতকে কদমতলা থানায় নিয়ে আসা হয়। এ বিষয়ে কদমতলা থানার আর.এম সাংমা জানান, ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনের সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত পলাতক অভিযুক্ত তাজউদ্দিনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এখন দেখার কদমতলা পুলিশ এ বিষয়ে সম্পূর্ণ তদন্তের পর কতটুকু সাফল্য অর্জন করতে পারে ?