This news has no attached video clip.

সুরক্ষা সংকল্প কর্মশালার চূড়ান্ত দিনে জেলা-স্তরের কর্ম পরিকল্পনাকে ত্বরান্বিত করেছে মিশন এইডস সুরক্ষা নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরায় জেলা-স্তরের এইচআইভি অ্যাকশন তীব্র হয়েছে

Saturday, February 28, 2026
Total Views: 109

গুয়াহাটি, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ঃ আজ গুয়াহাটিতে মিশন এইডস সুরক্ষার অধীনে তিন দিনব্যাপী সুরক্ষা সংকল্প কর্মশালার শেষ হয়েছে, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য নাগাল্যান্ড এবং ত্রিপুরায় জেলা-স্তরের এইচআইভি প্রতিক্রিয়া কৌশলগুলিকে আরও জোরদার করেছে। সমাপ্তি অধিবেশনে ভাষণ দিতে গিয়ে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ন্যাকো) অতিরিক্ত সচিব এবং মহাপরিচালক ডঃ রাকেশ গুপ্ত জনস্বাস্থে্যর জন্য হুমকি হিসেবে এইডসকে নির্মূল করার জাতীয় প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ভারত ১ ডিসেম্বর ২০২৭ সালের মধ্যে এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ এর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে এবং প্রতিটি উচ্চ-অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত জেলাকে এই প্রতিশ্রুতিকে ৯৫-৯৫-৯৯ লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিমাপযোগ্য অগ্রগতিতে রূপান্তর করতে হবে। কর্মশালার শেষ দিনে নাগাল্যান্ডের ১৫টি চিহ্নিত উচ্চ-অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত জেলার উপর আলোকপাত করা হয়েছে, যেখানে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এইচআইভির প্রবণতা ১.৩৭ শতাংশ, এবং আনুমানিক ২৪,০০০ মানুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত। মিশন এইডস সুরক্ষার অধীনে জেলা-স্তরের ফলাফল জোরদার করার জন্য চুমোকেদিমা, ডিমাপুর, কিফিরে, কোহিমা, লংলেং, মোকোকচুং, নিউল্যান্ড, নোকলাক, পেরেন, ফেক, শামাতোর, সেমিন্যু, তুয়েনসাং, ওখা এবং জুনহেবোটো সহ জেলাগুলি ব্যাপক পর্যালোচনা করা হয়েছে। আলোচনায় মহামারী সংক্রান্ত তথ্যকে সিদ্ধান্তমূলক এবং সময়সীমাবদ্ধ পদক্ষেপে রূপান্তরিত করার জন্য কেন্দ্রীভূত ক্ষুদ্র-পরিকল্পনা, উন্নত নজরদারি এবং সামাজিক সম্পৃক্ততাকে জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ ত্রিপুরা নিয়ে আলোচনায় ইনজেকশনের মাধ্যমে নেশাদ্রব্য গ্রহণের (আইডিইউ) ক্রমবর্ধমান প্রবণতাকে একটি জরুরি জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই রাজ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এইচআইভি-র প্রাদুর্ভাব ০.৩৯ শতাংশ এবং এইচআইভি আক্রান্ত ১১,০০০ জন মানুষ রয়েছেন। সাতটি জেলা - ধলাই, গোমতী, খোয়াই, উত্তর ত্রিপুরা, দক্ষিণ ত্রিপুরা, ঊনকোটি এবং পশ্চিম ত্রিপুরা – জেলাগুলিতে সুনির্দিষ্ট হস্তক্ষেপের ব্যাপারে পর্যালোচনা করা হয়েছে। কর্মশালায় পিয়ার-লীডারদের সুনির্দিষ্ট হস্তক্ষেপ জোরদার করার, ওপিওডি সাবস্টিটিউশন থেরাপি (ওএসটি) সহ ক্ষতি হ্রাস পরিষেবাগুলিকে আরও বাড়ানোর, প্রাথমিক রোগ নির্ণয় বৃদ্ধি করার, অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি)র সাথে সংযোগ উন্নত করার এবং উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থায়ী ভাইরাল দমন নিশ্চিত করার গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এনএইচএম ত্রিপুরার এমডি ডঃ নুপুর দেববর্মাও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন এবং উচ্চ চাপযুক্ত জেলাগুলিতে আইডিইউ-সম্পর্কিত দুর্বলতা মোকাবেলা এবং পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থা উন্নত করার বিষয়ে মতামত ভাগ করে নিয়েছেন৷ তিনদিনের কর্মশালায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৬০টি উচ্চ-অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত জেলা নিয়ে ব্যাপক পর্যালোচনা করা হয়েছে। আলোচনার সমাপ্তিতে প্রতিটি রাজ্যের মহামারী সংক্রান্ত প্রোফাইলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্পষ্ট, সময়-সীমাবদ্ধ জেলা-নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনার উপর জোরা দেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের হুমকি হিসেবে এইডসকে নির্মূল করার জন্য ভারত সরকারের ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করবে।













































© Copyright, 2022. Tripura Prottoy, India. All Rights Reserved. Developed and Maintained by Chevichef Private Limited.

Images published in the Image Gallery are subjected to Copyright of the photographer under The Copyright Act, 1957 of the Republic of India. Any unauthorized use of any image is prohibited.